২৪শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ| ৭ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১৯শে শাবান, ১৪৪৭ হিজরি| রাত ৩:৩০| শীতকাল|
শিরোনাম:
রায়পুরায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষে গুলিতে প্রাণ গেল সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীর শিবপুরে স্বতন্ত্র প্রার্থী আরিফ উল ইসলাম মৃধার ছেলের আবেগঘন স্ট্যাটাস বেলাবোতে বিএনপির ধানের শীষে ভোট চেয়ে গণসংযোগ নরসিংদী-৪ আসনে বিএনপি প্রার্থীর পক্ষে আমান উল্লাহর গণসংযোগ শিবপুরে ব্রাইট স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত বেলাবোতে ধানের শীষের পক্ষে প্রচারণায় ছাত্রদল নরসিংদী যুবদল নেতা বিদ্যুতের সঙ্গে আমান উল্লাহ আমানের শুভেচ্ছা বিনিময় একটি স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ: ডিসি আনোয়ার রায়পুরার চরাঞ্চলে যৌথ বাহিনীর অভিযান, আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার তুলাতলী মডেল হাই স্কুলে পিঠা উৎসব–২০২৬ অনুষ্ঠিত

গ্যাসের দাম না কমায় বিকল্প জ্বালানিতে ঝুঁকছেন ভোক্তারা

হুমায়ুন মিয়া:
  • Update Time : সোমবার, জানুয়ারি ২৬, ২০২৬,

হুমায়ুন মিয়া:
সম্প্রতি কোনো সুস্পষ্ট কারণ ছাড়াই এলপি গ্যাস সিলিন্ডারের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় নরসিংদীসহ বিভিন্ন এলাকায় ভোক্তাদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। সরকারিভাবে কয়েক দফা ভ্রাম্যমাণ আদালত ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযান পরিচালিত হলেও জেলার বাজারগুলোতে গ্যাসের দামে এর তেমন কোনো প্রভাব পড়েনি।
শহরাঞ্চলে সীমিত পরিসরে অভিযান চললেও গ্রামাঞ্চলের বাজারগুলো কার্যত নজরদারির বাইরে রয়েছে। বালাপুর বাজারের গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবসায়ী আবু তাহের জানান, তিনি গোপালদী এলাকা থেকে সাড়ে ১৭শ’ টাকায় ফ্রেশ এলপি গ্যাস সিলিন্ডার পাইকারিতে কিনে এনে ১৮শ’ টাকায় খুচরা বিক্রি করছেন।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ভোরবেলায় স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ী মো. হানিফ সরকার গ্যাস কিনতে এসে দোকানদারের সঙ্গে দাম নিয়ে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। পরে তিনি ১ হাজার ৭২০ টাকায় একটি ফ্রেশ গ্যাস সিলিন্ডার কিনে নেন।
নরসিংদী জেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, একই কোম্পানির গ্যাস সিলিন্ডার ভিন্ন ভিন্ন এলাকায় ভিন্ন দামে বিক্রি হচ্ছে। কোথাও ১ হাজার ৮০০ টাকা, কোথাও ১ হাজার ৯০০ টাকা আবার কোথাও ২ হাজার টাকাতেও বিক্রি হচ্ছে। অথচ সরকার নির্ধারিত ১ হাজার ৩০৬ টাকায় গ্যাস বিক্রির কোনো নজির পাওয়া যায়নি।
এদিকে, নিয়মিত গ্যাস ব্যবহারকারীদের একটি বড় অংশ এখন বিকল্প জ্বালানির দিকে ঝুঁকছে। অনেকেই মাটির চুলা কিংবা ইলেকট্রিক চুলা ব্যবহার শুরু করেছেন। এতে করে আগের তুলনায় গ্যাস সিলিন্ডারের বিক্রি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে বলে জানান স্থানীয় গ্যাস ব্যবসায়ী হোসেন আলী।
মাধবদী শহরের হাজীপাড়া এলাকার এক ভাড়াটিয়া গৃহিনী (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) বলেন, “গ্যাসের দাম বাড়ায় আমাদের সংসারের খরচ সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।”
এছাড়াও শহর ও গ্রামাঞ্চলের বহু দোকানে গিয়ে দেখা গেছে, গ্যাস সিলিন্ডারগুলো অরক্ষিত অবস্থায় দোকানের বাইরে খোলা জায়গায় ফেলে রাখা হচ্ছে। অধিকাংশ ব্যবসায়ীর নেই গ্যাস বিক্রির কোনো বৈধ লাইসেন্স কিংবা দুর্ঘটনা মোকাবিলার প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ। সচেতন মহলের আশঙ্কা, মেয়াদোত্তীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ এসব সিলিন্ডার থেকে যেকোনো সময় ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ...