পপি আক্তার:
নরসিংদীর রায়পুরায় স্কুলে যাওয়ার পথে ঢাকা সিলেট মহাসড়ক পারাপারের সময় বাসচাপায় নিশি আক্তার নামে ৬ বছর বয়সী এক শিশু নিহত। গুরুতর আহত শিশুটির মা টুম্পা বেগম (২৫)কে ঢাকা নেয়ার পথে মারা যায়।
মঙ্গলবার সকালে উপজেলার ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের মরজাল বাসস্ট্যান্ডের অদূরে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে। হতাহতরা উপজেলার মরজাল গ্রামের মারুফ মিয়ার স্ত্রী ও সন্তান। নিশি স্থানীয় একটি কিন্ডারগার্টেন স্কুলে পড়তেন। নিহত ওই নারীর দেশের বাড়ি গোপালগঞ্জ।
ভৈরব হাইওয়ে থানার পরিদর্শক মোঃ মোজাম্মেল হক এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, সকালে মা ওই ছাত্রীকে নিয়ে মহাসড়ক পার হওয়ার সময় ভৈরব থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী তিশা পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস মা-মেয়েকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই শিশুটির মৃত্যু হয়। স্থানীয়রা গুরুতর আহতাবস্থায় ওই শিশুর মাকে উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। চিকিৎসক আহতকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে অবস্থা গুরুতর দেখে ঢাকা মেডিকেলে পাঠানো হয়। ঢাকা নেয়ার পথে পতিমধ্যে ওই নারীর মৃত্যু হয়। পরে লাশ বাড়ি নিয়ে আসে। খবর পেয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় অভিযুক্ত বাসটি জব্দ করেছে ভৈরব হাইওয়ে থানা পুলিশ। জানাযায় ওই নারীর গত ৫-৬ বছর আগে গোপালগঞ্জ থেকে মরজাল এলাকায় এসে জমি কিনে বসবাস শুরু করেন। গত তিন চার বছর আগে স্বামী তালাক দেন। এর পর থেকে মেয়ে নিয়ে একাই বসবাস করতেন। স্থানীয় একটি কিন্ডারগার্টেনে পড়াতেন।
ভৈরব হাইওয়ে থানার পরিদর্শক মোঃ মোজাম্মেল হক
জানান, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মা টুম্পা বেগম (২৫) ৬ বছরের মেয়ে নিশি আক্তারকে নিয়ে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ে যাচ্ছিলেন। মহাসড়ক পার হওয়ার সময় ভৈরব থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী তিশা পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস মা-মেয়েকে চাপা দেয়।
এতে ঘটনাস্থলেই শিশুটির মৃত্যু হয়। স্থানীয়রা গুরুতর আহতাবস্থায় ওই শিশুর মাকে নরসিংদী সদর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে অবস্থা গুরুতর দেখে চিকিৎসক ঢাকা মেডিকেলে নেয়ার পথে পতিমধ্যে নিহত হন। লাশ বাড়ি নিয়ে আসে। খবর পেয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় অভিযুক্ত বাসটি জব্দ করেছে ভৈরব হাইওয়ে থানা পুলিশ। তবে চালক পালিয়ে গেছে। পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে নিহত শিশুর লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
মরজাল ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আতাউর রহমান বলেন, মা মেয়ে স্কুল যাওয়ার পথে মহাসড়ক পারাপারের সময় ত্রিসা পরিবহনের একটি বাস চাপা দেয়। ঘটনা স্থলে মেয়ে নিহত হন। গুরুতর আহত মা’কে চিকিৎসার জন্য ঢাকা নেয়ার পথে মারা যায়। পুলিশ উভয় লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করছেন।