আলমগীর পাঠান:
নরসিংদীর বেলাবরে বিদ্যালয়ের শ্রেনীকক্ষে তালা ও মাঠে চারা রোপন করে পাঠদানে বিঘ্ন সৃষ্টি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ঘটনাটি গত শনিবার (১৯ এপ্রিল) বেলাব উপজেলার নারায়নপুর ইউনিয়নের জালালাবাদ গোবিন্দপুর গ্রামের হাজী আলী আকবর আইডিয়াল স্কুলে এঘটনা ঘটে। এতে করে শিক্ষার্থীদের পাঠদানে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে।
জানা যায়, নারায়নপুর ইউনিয়নের জালালাবাদ গ্রামের মৃত হাজী তালেব হোসেনের ছেলে হাজী আলী আকবর পাশ্ববর্তী গোবিন্দপুর গ্রামে ২০১৯ সালে গোবিন্দপুর হাজী আলী আকবর আইডিয়াল স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠালগ্নে স্কুলটির মাঠের জন্য জমির প্রয়োজন পড়ে। ফলে হাজী আলী আকবর সহ গ্রামের জয়নাল আবেদীন ও আবুল হোসেন সাড়ে তিন গন্ডা করে জমি মাঠের জন্য প্রদান করেন।
তবে বিদ্যালয় মাঠের জন্য জমি প্রদানের জন্য জয়নাল আবেদীন ও আবুল হোসেনকে প্রতি ৫ বছর অন্তর অন্তর দশ হাজার টাকা প্রদানের মৌখিক চুক্তি করে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। চুক্তি অনুযায়ী কিছুদিন আগে তাদেরকে দশ হাজার টাকা করে ভাড়া বাবদ টাকা প্রদান করাও হয়। এরই মধ্যে তিনচার মাস আগ থেকে জয়নাল আবেদীন বলতে শুরু করে স্কুলটি তারা ভেঙ্গে ফেলবে। এ নিয়ে জমিদাতা তিন জনের মধ্যে দ্বন্ধ বাড়তে থাকে। যার ফলে গত মার্চ মাসে
নরসিংদী জেলার বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এর আদালতে হাজী আলী আকবর জয়নাল মিয়াকে অভিযুক্ত করে নিষেধাজ্ঞার মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর ক্ষিপ্ত হয়ে জয়নাল মিয়া জালালাবাদ গ্রামের নুরু মেম্বারের ছেলে জামাল মিয়া ও কফিল উদ্দীনের ছেলে রতন মিয়াকে দিয়ে জোড়পূর্বক গত শনিবার দিন বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দেয় এবং বিদ্যালয়ের মাঠের জয়নাল আবেদীনের অংশে একাধিক কাঠের চারা রোপন করে।
বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা হাজী আলী আকবর বলেন, বিদ্যালয়টি ২০১৯ সালে প্রতিষ্ঠা করেছি। বর্তমানে একটি পক্ষ ষড়যন্ত্র করতেছে। তারা জোড়পূর্বক বিদ্যালয়ের মাঠে চারা রোপন করেছে রুমে তালা দিয়েছে। তাদের কারনে পাঠদানে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। আমি এর সুষ্ঠ বিচার দাবী করছি।
অভিযুক্ত জয়নাল আবেদীনকে না পেয়ে তার ব্যক্তিগত মোবাইলে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, আমি এলাকার বাইরে আছি। এ ব্যপারে কোনো কথা বলতে পারবোনা।
বেলাব থানা ওসি মীর মাহববুর রহমানজানান, বিদ্যালয় মাঠে চারা লাগানোর ব্যপারে আমি অবগত নয়। উক্ত জমিতে যদি ১৪৪ ধারা জারি থাকে তাহলে ওই জমিতে গিয়ে চারা লাগানো বা অন্যকিছু করা যাবেনা।