রায়পুরা (নরসিংদী) প্রতিনিধি:
নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার মহেশপুর ইউনিয়নে ভাতিঝার বিরুদ্ধে রেলওয়ের জায়গা বিক্রির অভিযোগ এনে আপন চাচা ও ভাইয়ের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ প্রচার করার পর ওই সংবাদটিকে মিথ্যা দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী শ্রাবন আহম্মেদ পলাশ।
বুধবার (৭ মে) বিকেলে উপজেলার পৌর শহরের একটি রেস্টুরেন্টে এ সংবাদ সম্মেলন করেন ভুক্তভোগী ও তার স্বজনরা। সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আপন চাচা ও ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে লিখিত বক্তব্য প্রদান ও সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন ভুক্তভোগী শ্রাবন আহম্মেদ পলাশ ও তার বাবা গোলাম মোস্তফা সহ উপস্থিত অন্যান্যরা।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী শ্রাবন আহম্মেদ পলাশ বলেন, ২০১৪ সালে বাংলাদেশ রেলওয়ে থেকে ১৭ শতাংশ জমি লিজ গ্রহন করি। পরবর্তিতে সেটিকে বানিজ্যিক লিজ হিসেবে রুপান্তর করে সেখানে নিজ ব্যবসা পরিচালনা ও বানিজ্যিকভাবে ব্যবহারের জন্য অস্থায়ীভাবে কয়েকটি ঘর নির্মাণ করি।
গত কয়েকদিন আগে একটি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আমার ছোট ভাই সবুজ মিয়া অভিযোগ করেন সে দখল থাকা অবস্থায় আমি লাইসেন্স করেছি এবং তাকে প্রশাসনের মাধ্যমে হয়রানি করা হচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে আমার ছোট ভাইয়ের দখলে থাকা জায়গা সম্পূর্ণ আমার দখলেই ছিলো। ২০২৪ সালে ওই জায়গাকে কেন্দ্র করে আমার বাবাকে মারধর করে। এছাড়াও রেলওয়ের আইনে লিজকৃত জমি বিক্রির কোনো নিয়ম না থাকা সত্ত্বেও আজগর মিয়া দাবি করে আসছে ৫ লাখ টাকার বিনিময়ে তার কাছে জমি বিক্রি করা হয়েছে। যা সম্পুর্ন বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। মহেশপুর ইউনিয়নের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি খোকন মিয়া আমার বিরুদ্ধে ৪২ টি দোকান বিক্রির কথা বলেছেন যা বাস্তবে কোনো প্রমাণ পাওয়া যাবেনা। তাদের এমন ভিত্তিহীন বক্তব্যের দ্বারা এলাকায় আমার মানহানি সৃষ্টি হচ্ছে। সংবাদ সম্মেলনের শেষে ভুক্তভোগী শ্রাবন প্রশাসনের নিকট সুষ্ঠু তদন্ত স্বাপেক্ষে ঘটনার সত্যতা উদ্ঘাটনের দাবি জানান।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, ভুক্তভোগী শ্রাবন আহম্মেদের পিতা মো: গোলাম মোস্তফা, মো: মজলু মিয়া, আব্দুস সাদেক মিয়া, রাজিব মিয়া, আকাশ মিয়া সহ আরও অনেকে।