শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ০২:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
রায়পুরাতে ব্র্যাক মাইগ্রেশন’র স্কুল প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত রায়পুরায় অধ্যক্ষকে প্রকাশ্যে লাঞ্ছিত ও হামলা, শিক্ষা অঙ্গনে চরম উদ্বেগ বেলাবোতে মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত বীর মুক্তিযোদ্ধার স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত রায়পুরায় অফিসার্স ফোরামের ঈদ পুনর্মিলনী ও অর্জন উদযাপন অনুষ্ঠিত রায়পুরায় রাতের আঁধারে লাউক্ষেত কেটে উজাড়, লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি ইমপেরিয়াল মডেল হাই স্কুলে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত রায়পুরায় ফিলিং স্টেশন পরিদর্শন, অবৈধ তেল বিক্রিতে জরিমানা বাংলা নববর্ষে শুভেচ্ছা জানালেন আমান উল্লাহ আমান বাংলা নববর্ষে শুভেচ্ছা জানালেন নারায়ণপুর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি প্রার্থী হুমায়ুন বেলাবোতে নবগঠিত কমিটিকে ঘিরে ছাত্রদলের আনন্দ মিছিল

গ্যাসের দাম না কমায় বিকল্প জ্বালানিতে ঝুঁকছেন ভোক্তারা

হুমায়ুন মিয়া:
  • Update Time : সোমবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২৬

হুমায়ুন মিয়া:
সম্প্রতি কোনো সুস্পষ্ট কারণ ছাড়াই এলপি গ্যাস সিলিন্ডারের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় নরসিংদীসহ বিভিন্ন এলাকায় ভোক্তাদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। সরকারিভাবে কয়েক দফা ভ্রাম্যমাণ আদালত ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযান পরিচালিত হলেও জেলার বাজারগুলোতে গ্যাসের দামে এর তেমন কোনো প্রভাব পড়েনি।
শহরাঞ্চলে সীমিত পরিসরে অভিযান চললেও গ্রামাঞ্চলের বাজারগুলো কার্যত নজরদারির বাইরে রয়েছে। বালাপুর বাজারের গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবসায়ী আবু তাহের জানান, তিনি গোপালদী এলাকা থেকে সাড়ে ১৭শ’ টাকায় ফ্রেশ এলপি গ্যাস সিলিন্ডার পাইকারিতে কিনে এনে ১৮শ’ টাকায় খুচরা বিক্রি করছেন।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ভোরবেলায় স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ী মো. হানিফ সরকার গ্যাস কিনতে এসে দোকানদারের সঙ্গে দাম নিয়ে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। পরে তিনি ১ হাজার ৭২০ টাকায় একটি ফ্রেশ গ্যাস সিলিন্ডার কিনে নেন।
নরসিংদী জেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, একই কোম্পানির গ্যাস সিলিন্ডার ভিন্ন ভিন্ন এলাকায় ভিন্ন দামে বিক্রি হচ্ছে। কোথাও ১ হাজার ৮০০ টাকা, কোথাও ১ হাজার ৯০০ টাকা আবার কোথাও ২ হাজার টাকাতেও বিক্রি হচ্ছে। অথচ সরকার নির্ধারিত ১ হাজার ৩০৬ টাকায় গ্যাস বিক্রির কোনো নজির পাওয়া যায়নি।
এদিকে, নিয়মিত গ্যাস ব্যবহারকারীদের একটি বড় অংশ এখন বিকল্প জ্বালানির দিকে ঝুঁকছে। অনেকেই মাটির চুলা কিংবা ইলেকট্রিক চুলা ব্যবহার শুরু করেছেন। এতে করে আগের তুলনায় গ্যাস সিলিন্ডারের বিক্রি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে বলে জানান স্থানীয় গ্যাস ব্যবসায়ী হোসেন আলী।
মাধবদী শহরের হাজীপাড়া এলাকার এক ভাড়াটিয়া গৃহিনী (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) বলেন, “গ্যাসের দাম বাড়ায় আমাদের সংসারের খরচ সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।”
এছাড়াও শহর ও গ্রামাঞ্চলের বহু দোকানে গিয়ে দেখা গেছে, গ্যাস সিলিন্ডারগুলো অরক্ষিত অবস্থায় দোকানের বাইরে খোলা জায়গায় ফেলে রাখা হচ্ছে। অধিকাংশ ব্যবসায়ীর নেই গ্যাস বিক্রির কোনো বৈধ লাইসেন্স কিংবা দুর্ঘটনা মোকাবিলার প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ। সচেতন মহলের আশঙ্কা, মেয়াদোত্তীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ এসব সিলিন্ডার থেকে যেকোনো সময় ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ...

আঞ্চলিক কার্যালয়:
খন্দকার সুপার মার্কেট,
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স রোড,
রায়পুরা, নরসিংদী।

উপদেষ্টা:
যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার শাহ আলম মজনু
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার শাহ নেওয়াজ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: পপি আক্তার

© All rights reserved © 2022 bibartonprotidin.com
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: রায়তা-হোস্ট
bd-bibartonprotidin