শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ০২:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
রায়পুরাতে ব্র্যাক মাইগ্রেশন’র স্কুল প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত রায়পুরায় অধ্যক্ষকে প্রকাশ্যে লাঞ্ছিত ও হামলা, শিক্ষা অঙ্গনে চরম উদ্বেগ বেলাবোতে মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত বীর মুক্তিযোদ্ধার স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত রায়পুরায় অফিসার্স ফোরামের ঈদ পুনর্মিলনী ও অর্জন উদযাপন অনুষ্ঠিত রায়পুরায় রাতের আঁধারে লাউক্ষেত কেটে উজাড়, লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি ইমপেরিয়াল মডেল হাই স্কুলে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত রায়পুরায় ফিলিং স্টেশন পরিদর্শন, অবৈধ তেল বিক্রিতে জরিমানা বাংলা নববর্ষে শুভেচ্ছা জানালেন আমান উল্লাহ আমান বাংলা নববর্ষে শুভেচ্ছা জানালেন নারায়ণপুর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি প্রার্থী হুমায়ুন বেলাবোতে নবগঠিত কমিটিকে ঘিরে ছাত্রদলের আনন্দ মিছিল

সম্ভাবনাময় ফল লটকন, রপ্তানী হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপে

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ৪ জুলাই, ২০২২

আলী হোসেন, বেলাব:
নরসিংদীতে লটকন চাষ করে ব্যাপক সাফল্য পাচ্ছেন চাষিরা।এখানকার মাটি ও আবহাওয়া লটকন চাষে উপযুক্ত হওয়ায়,এবং আর্থিক লাভের কারণে চাষিদের মধ্যে লটকন চাষে আগ্রহ বাড়ছে। নরসিংদী লটকন ফল দেশীয় চাহিদা মিটিয়ে মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপে রপ্তানি হচ্ছে। যা বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। জেলার বেলাব, শিবপুর, মনোহরদী, নরসিংদী সদর, পলাশ, রায়পুরার আংশিক অঞ্চলে আবহাওয়া লটকন চাষে উপযোগী হওয়ায় লটকন ফল ভালো জন্মে। এ এলাকার লটকন ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের চাহিদা মিটিয়ে মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপে রপ্তানী হচ্ছে।

উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মানিক শাহ্ ও ফাতেমা বেগম জানান, এ উপজেলায় ১৮৫ হেক্টর জমিতে লটকন চাষ হচ্ছে। চলতি মওসুমে উপজেলায় প্রায় ৩৩ শ মেট্রিক টন লটকন উৎপাদন লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছে, যার আনুমানিক দাম ১ কোটি টাকা। নরসিংদীর উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের সুউচ্চ গৈরিক বা লাল রঙের মাটিতে প্রচুর ক্যালসিয়াম ও অন্যান্য খনিজ উপাদান বিদ্যমান থাকায় এ মাটিতে লটকনের উৎপাদন ভালো হচ্ছে। স্বাদে-গন্ধে হচ্ছে মিষ্টি এবং আকৃতিতেও হচ্ছে বড় বড়। নরসিংদীর রায়পুরা, শিবপুর, বেলাব, মনোহরদী ও পলাশ উপজেলার শত শত চাষি বর্তমানে লটকন বিক্রি করে অর্থনৈতিক সাফল্য ফিরিয়ে আনছেন।

সরেজমিন দেখা গেছে, বেলাব উপজেলায় সবচেয়ে বেশি লটকনের বাগান রয়েছে। ২০ বছর আগেও লটকনের স্বতন্ত্র বাগান ছিল না। তখন অন্যান্য ফলগাছের সাথেই দু-একটি গাছ লাগানো হতো। লটকন চাষিরা জানান, পূর্বসময়ে লটকনের তেমন চাহিদা ছিল না, দামও ছিল কম, সে কারণে কেউ লটকনের স্বতন্ত্র বাগান করার চিন্তা করত না। বর্তমানে চাহিদা ও মূল্য দু’টিই বেড়েছে। অবসর প্রাপ্ত শিক্ষিকা কাজী লায়লা আহমেদ জানান, প্রতি কেজি লটকন তারা ঢাকায় নিয়ে ৯০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করে থাকেন। গত বছরের তুলনায় এ বছর ফলন কম আাসলেও দাম বেশী। লাখপুর গ্রামের তরুন কৃষক শফিকুল ইসলাম বলেন,লটকন একটি ঔষধি ও ভিটামিন সি সম্বৃদ্ধি ফল। তাই এর চাহিদা ব্যাপক।একটি পূর্ণবয়স্ক লটকন গাছে ৫ থেকে ১০ মণ পর্যন্ত ফলন পাওয়া যায়। অন্য কোনো ফলে সাধারণত এত টাকা আয় হয় না। লটকন চাষে রোগ বালাই তেমন একটা নেই। চাহিদাও প্রচুর, এসব কারণেই দিন দিন নরসিংদীর বিভিন্ন এলাকায় লটকন চাষের প্রসার ঘটছে। এ ছাড়া দেশের পাশাপশি মধ্যপ্রাচ্য ওইউরোপে এখানকার লটকনের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।

লটকন চাষ করে ব্যাপক সাফল্য পাচ্ছেন চাষিরা।এখানকার মাটি ও আবহাওয়া লটকন চাষে উপযুক্ত হওয়ায়,এবং আর্থিক লাভের কারণে চাষিদের মধ্যে লটকন চাষে আগ্রহ বাড়ছে। নরসিংদী লটকন ফল দেশীয় চাহিদা মিটিয়ে মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপে রপ্তানি হচ্ছে। যা বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। জেলার বেলাব,শিবপুর,মনোহরদী,নরসিংদী সদর, পলাশ,রায়পুরার আংশিক অঞ্চলে আবহাওয়া লটকন চাষে উপযোগী হওয়ায় লটকন ফল ভালো জন্মে। এ এলাকার লটকন ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের চাহিদা মিটিয়ে মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপে রপ্তানী হচ্ছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ নাজিম- উর- রউফ খাঁন জানান, এ বছর উপজেলায় প্রায় এক হাজার ১৮৫ হেক্টর জমিতে লটকন চাষ হয়েছে। এ মওসুমে এখানে প্রায় ৩ হাজার৩ শত মেট্রিক টন লটকন উৎপাদন হয়, যার আনুমানিক দাম ১ কোটি টাকা। আবহাওয়া ও বাজার মূল্য ভালো থাকায় লটকন চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের।উপজেলা কৃষি অফিসের পক্ষ হতে সার্বক্ষণিক কৃষকদের পরামর্শ ও সহযোগিতার করে আসছি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ...

আঞ্চলিক কার্যালয়:
খন্দকার সুপার মার্কেট,
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স রোড,
রায়পুরা, নরসিংদী।

উপদেষ্টা:
যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার শাহ আলম মজনু
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার শাহ নেওয়াজ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: পপি আক্তার

© All rights reserved © 2022 bibartonprotidin.com
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: রায়তা-হোস্ট
bd-bibartonprotidin