বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
রায়পুরাতে ব্র্যাক মাইগ্রেশন’র স্কুল প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত রায়পুরায় অধ্যক্ষকে প্রকাশ্যে লাঞ্ছিত ও হামলা, শিক্ষা অঙ্গনে চরম উদ্বেগ বেলাবোতে মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত বীর মুক্তিযোদ্ধার স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত রায়পুরায় অফিসার্স ফোরামের ঈদ পুনর্মিলনী ও অর্জন উদযাপন অনুষ্ঠিত রায়পুরায় রাতের আঁধারে লাউক্ষেত কেটে উজাড়, লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি ইমপেরিয়াল মডেল হাই স্কুলে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত রায়পুরায় ফিলিং স্টেশন পরিদর্শন, অবৈধ তেল বিক্রিতে জরিমানা বাংলা নববর্ষে শুভেচ্ছা জানালেন আমান উল্লাহ আমান বাংলা নববর্ষে শুভেচ্ছা জানালেন নারায়ণপুর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি প্রার্থী হুমায়ুন বেলাবোতে নবগঠিত কমিটিকে ঘিরে ছাত্রদলের আনন্দ মিছিল

গাজায় একসঙ্গে ৪ সন্তানের জন্ম দিলেন ফিলিস্তিনি মা

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৩

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে টানা আড়াই মাস ধরে অবিরাম হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। স্কুল, হাসপাতাল, শরণার্থী শিবির, মসজিদ, গির্জার পাশাপাশি হামলা হচ্ছে সাধারণ মানুষের বাড়ি-ঘরেও। এতে করে বাস্তুচ্যুত হয়ে পড়েছেন লাখ লাখ ফিলিস্তিনি। আর এমন অবস্থায়ই গাজায় একসঙ্গে ৪ সন্তানের জন্ম দিয়েছেন বাস্তুচ্যুত এক ফিলিস্তিনি মা। তার নাম ইমান আল-মাসরি। জন্ম হওয়া শিশুদের মধ্যে দুজন মেয়ে এবং দুজন ছেলে। তবে তাদের মধ্যে এক ছেলে শিশুকে হাসপাতালে রাখতে হয়েছে। বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধবিধ্বস্ত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের উত্তরে নিজে বাড়ি থেকে দূরে দক্ষিণ গাজার একটি হাসপাতালে চার সন্তানের জন্ম দেওয়ার পর মা ইমান আল-মাসরি বেশ ক্লান্ত হয়ে গেছেন। ইসরাইল-হামাস যুদ্ধের মধ্যে অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ে এই ফিলিস্তিনি মা নিরাপত্তার জন্য তার আরও তিন সন্তানের সঙ্গে পায়ে হেঁটে বেইট হানুনে তার বাড়ি থেকে পালিয়ে যান। সেই সময় তারা পাঁচ কিলোমিটার (তিন মাইল) হেঁটে জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরে গিয়েছিলেন।

তবে সেখান থেকে আরও দক্ষিণে অবস্থিত দেইর আল-বালাহতে যেতে তারা পরিবহণের জন্য কিছু একটা উপায় খুঁজছিলেন। কারণ ইমান তখন ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন এবং তার জন্য এই ‘দূরত্ব ছিল অনেক দীর্ঘ’। ২৮ বছর বয়সি এই বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি মা গত ১৮ ডিসেম্বর সি-সেকশনের মাধ্যমে কন্যা টিয়া ও লিন এবং ছেলে ইয়াসির ও মোহাম্মদ নামে চার শিশুর জন্ম দেন। কিন্তু যুদ্ধের অন্যান্য রোগীদের জন্য জায়গা করে দিতে ইমানকে বেশ দ্রুতই নবজাতকদের নিয়ে হাসপাতাল ছেড়ে যেতে বলা হয়।

তবে শিশু মোহাম্মদকে ছাড়াই তাকে হাসপাতাল ছাড়তে হয়। কারণ সে তখন খুবই নাজুক ছিল। এখন টিয়া, লিন ও ইয়াসিরকে নিয়ে এই দম্পতি তাদের বর্ধিত পরিবারের প্রায় ৫০ সদস্যের সঙ্গে দেইর আল-বালাহতে একটি ছোট স্কুলরুমে আশ্রয় নিয়েছেন। নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরের একটি হাসপাতালে রেখে আসা শিশু সন্তানের বিষয়ে মা ইমান আল-মাসরি বলেন, ‘মোহাম্মদের ওজন মাত্র এক কিলোগ্রাম (২.২ পাউন্ড)। সে (এখানে) বাঁচতে পারবে না।’

আশ্রয়কেন্দ্রে পরিণত হওয়া স্কুলরুমের একটি ফোমের গদিতে শুয়ে ইমান সংঘাতের শুরু থেকে তার দুর্ভোগের বর্ণনা দেন। তিনি বলেন, ‘আমি যখন বাড়ি ছেড়েছিলাম, তখন বাচ্চাদের জন্য আমার কাছে শুধু কিছু গ্রীষ্মের পোশাক ছিল। আমি ভেবেছিলাম যুদ্ধ এক বা দুই সপ্তাহ স্থায়ী হবে এবং তার পরে আমরা বাড়িতে ফিরে যাব।’ তবে সংঘাতের ১১ সপ্তাহেরও বেশি সময় পর নিজের বাড়িতে ফিরে যাওয়ার তার আশা ভেঙে গেছে। সূবিডি

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ...

আঞ্চলিক কার্যালয়:
খন্দকার সুপার মার্কেট,
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স রোড,
রায়পুরা, নরসিংদী।

উপদেষ্টা:
যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার শাহ আলম মজনু
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার শাহ নেওয়াজ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: পপি আক্তার

© All rights reserved © 2022 bibartonprotidin.com
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: রায়তা-হোস্ট
bd-bibartonprotidin